বাংলাদেশের বহুল প্রত্যাশিত টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। আজকে আমরা আমাদের প্রস্তুতি বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব এবং সেই সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা দিব।
বেশ কিছুদিন আগে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন থেকে তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তাদের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন অর্থাৎ এর সংক্ষিপ্ত রূপ বিটিআরসি। বিটিআরসি-এর শূন্যপদে অস্থায়ীভাবে জনবল নিয়োগের লক্ষ্যে বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক দের জন্যই শুধুমাত্র নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। আজকে আমরা আমাদের পোস্টটিতে সেই সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য দেব এবং কিভাবে কোন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আপনারা সহজে ঘরে বসে উক্ত যে কোন পদে এপ্লাই করতে পারবে তার ধারণা দিব।
আমরা আমাদের ওয়েবসাইটটিতে বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি চাকরির পাশাপাশি বিভিন্ন সামরিক বাহিনীর চাকরির যেমন সেনা বাহিনী,নৌ বাহিনী,বিমান বাহিনী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রতিনিয়ত আপলোড করে আসছি এবং চাকরি গুলো ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা চাকরির গ্রেড ও বেতন স্কেল এবং পদসংখ্যা ইত্যাদি নিয়ে আমরা আমাদের পোষ্ট গুলোতে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করেছি। তাই আমাদের সকল আপডেট পেতে আমাদের ওয়েবসাইটে প্রতিনিয়ত ভিজিট করুন এবং আমাদের ওয়েবসাইটটি ফলো করুন। যার মাধ্যমে আপনারা আমাদের সকল আপডেট খুব সহজে জেনে নিতে পারবেন।
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৪
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের আবেদনের ক্ষেত্রে এর সময়সীমা শুরু হবে আগামী 25 আগষ্ট ২০২৪ তারিখ সকাল দশটায়। উক্ত সময় থেকে আপনারা আপনাদের পছন্দের যে কোন পাদের জন্য আবেদন করতে পারবেন এবং আবেদনের শেষ তারিখ হচ্ছে 25 এ এপ্রিল ২০২৪ তারিখ বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত। উক্ত সময়ের মধ্যে আপনারা আপনাদের পছন্দের যে কোন পোস্টে এপ্লাই করতে হবে এবং এপ্লাই করার পরবর্তী 72 ঘণ্টার মধ্যে এপ্লাই ফি জমা প্রদান করতে হবে অন্যথায় আপনাদের আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।
আদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মধ্যে বেশকিছু পদ রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ভাবে বলা যায় সহকারী পরিচালক , উপসহকারী ইত্যাদি পদগুলোতে আলাদা আলাদাভাবে প্রার্থী নির্বাচন করা হবে। এক্ষেত্রে প্রত্যেকটি পদের আলাদা আলাদা পদসংখ্যা জানতে নিচের পোস্টটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন।
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের নিয়ম অনুযায়ী আপনাকে আবেদনকারীর প্রার্থী হিসেবে গ্রহণযোগ্য হতে হলে নূন্যতম বয়স 18 থেকে সর্বোচ্চ বয়স 30 বছরের মধ্যে হতে হবে। অন্যথায় আপনি উক্ত পদের জন্য গ্রহণযোগ্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হবেন না। এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম লক্ষণীয় মুক্তিযোদ্ধা পুত্র সন্তানের জন্য তাদের নিম্নতম বয়স 18 থেকে 32 বছর বয়স পর্যন্ত।
বিভিন্ন পদের নাম, গ্রেড, বেতন স্কেল, শিক্ষাগত যোগ্যতা
সহকারী পরিচালক
সহকারী পরিচালক পদের গ্রেড হচ্ছে নবম। উক্ত পদে বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে 22 হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ 53060 টাকা পর্যন্ত ।এক্ষেত্রে বেতনের কিছুটা তারতম্য লক্ষনীয়। পদটির জন্য নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা হচ্ছে ইলেকট্রিক্যাল বা ইলেকট্রনিক ডিপারমেন্ট কিংবা কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ের উপর স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতক ডিগ্রী থাকা আবশ্যক পাশাপাশি দক্ষতা হিসেবে কম্পিউটার চালানোর পর্যাপ্ত জ্ঞান থাকা দরকার।
সহকারী পরিচালক (প্রশাসন ও মানব সম্পদ)
উক্ত পদের গ্রেড হচ্ছে নবম এবং এর বেতন স্কেল হচ্ছে 22000 থেকে 536000 টাকা পর্যন্ত । এই পদের জন্য প্রার্থী নেওয়া হবে একজন রং এর শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন স্বীকৃত কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ন্যূনতম দ্বিতীয় শ্রেণীর স্নাতকোত্তর ডিগ্রি এবং পাবলিক পরীক্ষায় কমপক্ষে দুইটি প্রথম শ্রেণি বিভাগ থেকে উত্তীর্ণ হতে হবে কোনো তৃতীয় শ্রেণি বিভাগ গ্রহণযোগ্য হইবে না।
উপ-সহকারী পরিচালক (প্রশাসন ও মানব সম্পদ)
উপ সহকারী পরিচালক পদের গ্রেড নবম। এর জন্য বেতন স্কেল 16000 টাকা থেকে 38 হাজার 640 টাকা পর্যন্ত। এর জন্য প্রার্থী সংখ্যা 1 জন। পদটির নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন কোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে অনন্য দ্বিতীয় সিনের নাটক অর্থনীতি এবং প্রার্থীকে কম্পিউটার চালানোর পর্যাপ্ত জ্ঞান।
ব্যক্তিগত কর্মকর্তা
এই পদটির গ্রেড হচ্ছে 10 এবং বেতন স্কেল 16 হাজার টাকা থেকে সবোচ্চ 38 হাজার 640 টাকা । পদটির জন্য পদসংখ্যা দুইজন এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা হচ্ছে কোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে দ্বিতীয় শ্রেণি স্নাতকোত্তর ডিগ্রি এবং প্রতি মিনিটে কমপক্ষে 25 শব্দ , ইংরেজিতে 40 শব্দ টাইপ করতে পারার দক্ষতা থাকতে হবে।
কম্পিউটার অপারেটর
কম্পিউটার অপারেটর এর বেতন স্কেল 11 হাজার টাকা থেকে 26 হাজার 590 টাকা এর গ্রেড হচ্ছে 13 তম পদ সংখ্যা হচ্ছে এক। পদটির জন্য কোন প্রার্থী এপ্লাই করতে চাইলে তাকে অবশ্যই কোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে অনন্য দ্বিতীয় শ্রেণীর স্নাতক ডিগ্রি এবং পাবলিক পরীক্ষা কোন পর্যায়ে তৃতীয় শ্রেণি বিভাগ গ্রহণযোগ্য হবে না তার পাশাপাশি অভিজ্ঞতা হিসেবে তাকে মুক্তাক্ষর লিখনে প্রতি মিনিটে বাংলায় প্রতিশব্দ এবং ইংরেজিতে 40 শব্দ টাইপ করার দক্ষতা থাকা লাগবে।
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের নিয়োগ পরীক্ষার আবেদন করার নিয়ম
প্রার্থী যদি বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন এর যে কোন পদে এপ্লাই করতে চায়, তাহলে তাকে কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে। সেক্ষেত্রে তাকে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ অর্থাৎ বিটিআরসি এর নিজস্ব অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। বিটিআরসির অফিসের লিংকটি হলো www.btrc.gov.bd। ওয়েবসাইটে ভিজিট করার মাধ্যমে তাদের apply now অপশনটিতে ক্লিক করতে হবে পরবর্তীতে নিজের বায়োডাটা প্রদানের মাধ্যমে এপ্লাই সম্পন্ন করতে হবে এবং এপ্লাই করার পরবর্তী 72 ঘণ্টার মধ্যে ফি জমা দিতে হবে অন্যথায় আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।
আবেদন ফি জমা দেওয়ার নিয়ম
কোন প্রার্থীকে আবেদন ফি জমা দেয়ার ক্ষেত্রে তাকে প্রথমে এপ্লিকেন্ট কপি ডাউনলোড করে নিতে হবে এপ্লিকেন্ট কপির মধ্যে প্রার্থীর আইডি ও পাসওয়ার্ড থাকবে ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড এর মাধ্যমে কোন প্রার্থীকে আবেদন ফি জমা দিতে হবে। এক্ষেত্রে প্রার্থীর এসএমএস অপশনে গিয়ে বিটিআরসি লিখে একটি স্পেস দিয়ে ইউজার আইডি লিখে 16222 নাম্বারে পাঠিয়ে দিতে হবে। পরবর্তীতে তাদের একটি ভেরিফিকেশন কোড আসবে সে ভেরিফিকেশন কোর্টের মাধ্যমে বিকাশ রকেট অথবা মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে আবেদন ফি জমা প্রদান করতে হবে। আপনারা চাইলে টেলিটক প্রিপেইড গ্রাহক থেকেও আবেদন ফি জমা দিতে পারবেন।
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের নিয়োগ পরীক্ষার প্রবেশপত্র ডাউনলোড
আবেদন সম্পন্ন করার পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের নোটিশ বোর্ড এর মাধ্যমেই তাদের প্রবেশপত্র ডাউনলোড এর তারিখ দিয়ে দেওয়া হবে। প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে চাইলে আপনাদেরকে তাদের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিট করে ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করার মাধ্যমে আপনাদের এডমিট কার্ড ডাউনলোড করতে হবে।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সমূহ
একজন প্রার্থীর আবেদনের সময় প্রয়োজনীয় কিছু কাগজপত্র সাথে রাখা আবশ্যক। এক্ষেত্রে প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা সনদ প্রত্যয়নপত্র ও অনাপত্তিপত্রের মূল কপি প্রদর্শন করতে হবে। প্রার্থীকে প্রথম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তার মাধ্যমে সত্যায়িত করিয়ে নিতে হবে এক্ষেত্রে প্রার্থীর কাছে এক সেট ফটো কপি 3 কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি দাখিল করতে হবে। পাশাপাশি জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্ম সনদের সত্যায়িত কপি ও দাখিল করতে হবে জেলা স্থায়ী বাসিন্দা প্রমাণ হিসেবে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের সিগনেচার সহ আবশ্যক এবং প্রার্থী যদি মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে প্রার্থীর সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের সার্টিফিকেট থাকা লাগবে। যদি এ সংক্রান্ত আরো বিস্তারিত ধারণা পেতে চান, তাহলে আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করুন। আমাদের ওয়েবসাইট টিতে এ সংক্রান্ত সকল তথ্য দেয়া হয়েছে।
Leave a Reply